
হিজবুল্লাহপ্রধান বলেন, ‘ইসরায়েলিরা যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা আগ্রাসন বন্ধ করতে চায়, আমরা তা গ্রহণ করব। তবে আমাদের বিবেচনায় যথাযথ ও উপযোগী বলে বিবেচিত শর্তের আওতায় তা গ্রহণ করা হবে।’

দিনভর হামলায় অন্তত ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। হামলায় হতাহত ব্যক্তিদের এখনো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। উদ্ধারকাজ শেষে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর আগে গত সপ্তাহে ৫৫ জন ইসরায়েলি সেনাকে হত্যার দাবি করেছিল হিজবুল্লাহ। সর্বশেষ দাবি অনুযায়ী, সংখ্যা বেড়ে ৭০ জনে পৌঁছেছে।

ইসরায়েলের তেল আবিব শহরের উপকণ্ঠে সামরিক গোয়েন্দা ইউনিটের একটি ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। হামলার পরে তেল আবিবে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

সোমবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি এক বিবৃতিতে বলেন, এই ব্যক্তি ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ‘ইউনিট ৪৪০০’-এর প্রধান ছিলেন। ইরানের তেল বিক্রির মাধ্যমে সংগঠনে অর্থ স্থানান্তরসহ হিজবুল্লাহর তহবিল জোগানোর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

দক্ষিণ লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর (ইউনিফিল) একটি ওয়াচ টাওয়ার ও ঘরের বেড়া ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহর একটি কমান্ড সেন্টার ও ভূগর্ভস্থ অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার জন্য ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।

লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে শনিবার অন্তত ১১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে উত্তর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে।

ইসরায়েলের সিজারিয়া শহরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বাসভবনে ড্রোন হামলা হয়েছে। শনিবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৪১২। আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ২৮৫ জনে।